তুমি কেমন করে গরল মন্থন করো হে গুনী?
লিখেছেন লিখেছেন মৃনাল হাসান ২৪ মার্চ, ২০১৫, ১১:১২:১২ রাত
রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, বাংলাদেশ ও ভারতের অন্যতম সেরা রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী। তার গান আমি প্রতিদিনই শুনি, খুব ভালো লাগে। অসাধারন সুন্দর তার কন্ঠ!কোনদিনই ভাবিনি এই সুললিত কন্ঠ দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে গরল উদ্গীরন করবেন তিনি। নাম রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, অনেকটা মুসলিম নাম, ভাবতাম সে মনে হয় মুসলিম। কিন্তু একদিন দেখলাম চ্যানেল আই এর সকাল বেলার অনুষ্ঠানে উপস্থাপিকা তাকে দিদি বলছেন। কৌতুহল জাগল, দেখি তার কপালে সিদুর। সে হিন্দু,( আমি কনফার্ম নই) কিছুই মনে হয়নি।কারণ, ধর্মীয় বিশ্বাস তার ব্যাক্তিগত বিষয়। আমি তাকে পছন্দ করি তার ঐ সুরেলা কন্ঠের জন্য। কিন্তু এবার তার ঐ সুরেলা কন্ঠ থেকে ঢেলেছেন গরল, গান নয়। তিনি আঘাত করলেন ইসলামী শিক্ষার উপর। মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নাকি মুক্তমনের মানুষ হওয়া সম্ভব নয়।ঠিক, মাদ্রাসা শিক্ষা নাস্তিক তৈরি করেনা। তিনি মাদ্রাসাতে টাকা পয়সা না দিতে মানুষকে আহবান করেছেন।জানি তার আহবানে কেউ সাড়া দেবেনা। তবুও কষ্ট লাগে, এই সব মানুষগুলোর হিংসা দেখে। মুক্তমনের এই মানুষগুলো ভয়ঙ্কর হিংসুটে। তাদের মত মুক্তমন ছাড়া আর কাউকে তারা সহ্য করতে পারেনা।
তিনি মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য টাকা না দিয়ে, তার প্রতিষ্ঠিত একটি গানের স্কুলে টাকা দেওয়ার জন্য প্রবাসীদের কাছে আবেদন করেছেন। মাদ্রাসা শিক্ষার বিরুদ্ধে প্রচন্ড হিংসার কারনে তিনি এমনটি করেছেন। এদেশে যারা ধর্মীয় কাজে টাকা দেয় তারা আবার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও টাকা দেয়। কিন্তু বন্যা বলছেন- ধর্মীয় কাজে আর টাকা দিওনা, আমাকে দাও, মুক্তমনের মানুষ উপহার দেব। অর্থাৎ তিনি নাস্তিক তৈরি করবেন। তিনি ৩০ জন পথশিশুকে গান শেখাচ্ছেন, ভালো কথা। কারা তার প্রতিষ্ঠানে টাকা দেয় তিনি তার ফিরিস্তি দিয়েছেন। সেই প্রতিষ্ঠানগুলো যে টাকা দেয় তাতে তার স্কুল চলে যাবে। কিন্তু মাদ্রাসাতে অনুদান দেওয়াকে সহ্য করেত পারছেন না।
ঘৃণা করি এই মহিলাকে যিনি তার সুললিত কন্ঠের আড়ালে নিয়ত মন্থন করেন ইসলাম বিদ্বেষের গরল।
বিষয়: বিবিধ
১৩৫৫ বার পঠিত, ৪ টি মন্তব্য
পাঠকের মন্তব্য:
"সুতরাং, তাদের সামান্য হাঁসতে দাও, অতঃপর তারা অনেক বেশি কাঁদবে, এটা হল তাদের (কৃতকর্মের) পুরস্কার যা তারা উপার্জন করতো। (সুরাহ তওবাহ, ৮২)"
"সুতরাং, তাদের সামান্য হাঁসতে দাও, অতঃপর তারা অনেক বেশি কাঁদবে, এটা হল তাদের (কৃতকর্মের) পুরস্কার যা তারা উপার্জন করতো। (সুরাহ তওবাহ, ৮২)"
সহমত প্রকাশ করছি!
মন্তব্য করতে লগইন করুন